জন্মগ্রহণ
১৩ সেপ্টেম্বর হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার ঐতিহ্যবাহী উত্তরসুর গ্রামের কৃতি সন্তান খান বাহাদুর সৈয়দ সিকন্দর আলীর ঔরসে জন্মগ্রহণ করেন
সৈয়দ মুজতবা আলী মেমরিয়াল মিউজিয়াম
সৈয়দ মুজতবা আলীর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলকসমূহ
১৩ সেপ্টেম্বর হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার ঐতিহ্যবাহী উত্তরসুর গ্রামের কৃতি সন্তান খান বাহাদুর সৈয়দ সিকন্দর আলীর ঔরসে জন্মগ্রহণ করেন
সিলেটে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সফরকালে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়, যা তাঁর জীবনে গভীর প্রভাব ফেলে।
বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৯২৬ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।
কাবুলের কৃষি মহাবিদ্যালয়ে অধ্যাপনা। আফগান গৃহযুদ্ধের কারণে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন।
হামবোল্ট বৃত্তিতে জার্মানিতে যান। বন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
মিশরের কায়রোতে আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করেন।
মহারাজা সায়াজিরাও বিশ্ববিদ্যালয়, বরোদায় অধ্যাপনা করেন।
৩০ নভেম্বর সিলেটে বাংলাকে পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার দাবি তোলেন।
তাঁর বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি "দেশে বিদেশে" প্রকাশিত হয় এবং নরসিংহদাস পুরস্কার লাভ করেন।
রাবেয়া খাতুনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁদের দুই পুত্রসন্তান ছিল।
আনন্দবাজার গ্রুপ কর্তৃক মর্যাদাপূর্ণ আনন্দ পুরস্কারে ভূষিত হন।
১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় পরলোকগমন করেন। আজিমপুর কবরস্থানে সমাধিস্থ হন।